প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৫, ২০২৬, ৩:১৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারী ৯, ২০২৬, ৫:৩১ পি.এম
ইউসেপ বাংলাদেশ ঢাকা উত্তর অঞ্চল সোশ্যাল ইনক্লুশন রিজিওনাল সেইফগার্ডিং কমিটির সদস্য হলেন – জিগীষা মানবিক এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর হোসাইন। কমিটির প্রথম মিটিং অনুষ্ঠিত।
ইউসেপ বাংলাদেশ ঢাকা উত্তর অঞ্চল সোশ্যাল ইনক্লুশন রিজিওনাল সেইফগার্ডিং কমিটির সদস্য হলেন – জিগীষা মানবিক এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর হোসাইন। কমিটির প্রথম মিটিং অনুষ্ঠিত।
বিশেষ প্রতিনিধি:
ইউসেপ বাংলাদেশ ঢাকা উত্তর অঞ্চল সোশ্যাল ইনক্লুশন সেইফগার্ডিং কমিটির সদস্য হলেন – সাংবাদিক নূর হোসাইন। কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ হলেন- ইমাম হোসেন, হেড অব টিভেট ইন্সটিটিউট, ইউসেপ মিরপুর টিভেট ইন্সটিটিউট , ঢাকা উত্তর অঞ্চল । শাহজাদী সুলতানা ,টীম লিডার , সোশ্যাল ইনক্লুশন , ঢাকা নর্থ রিজিয়ন। মো: মনিরুজ্জামান টিম লিডার , সোশ্যাল ইনক্লুশন এন্ড ডিসেন্ট এমপ্লয়মেন্ট , ঢাকা উত্তর অঞ্চল, শরিফা ইয়াসমিন,ট্রেইনার কোকিং। গতকাল ৮ জানুয়ারী ২০২৬ ইং সকাল ১০ ঘটিকায় এই কমিটির মিটি্ইং অনুষ্ঠিত হয় ইউসেপ মিরপুর ২ এ অবস্থিত অফিসে। কমিটির আলোচনা বিষয় ছিল – ইউসেপ বাংলাদেশের কার্যক্রমে সুরক্ষা নীতি। স্কীল ট্রেনিং এবং ভোকেশনাল শিক্ষায় সুরক্ষা নীতির প্রয়োজনীয়তা । ইউসেপ সুরক্ষা নীতির মূল বিষয় বস্তু। প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থান এর কেত্রে সুরক্ষা নীতির প্রয়োজনীয়তা ও করনীয়।
কমিটি নিম্নের সেফগার্ডিং নীতিমালা (Safeguarding Policy) অনুযায়ী কাজ করবেন। যা তুলে ধরা হলো:
সেফগার্ডিং নীতিমালা (Safeguarding Policy) হলো এমন একটি কাঠামো যা মানুষ, বিশেষ করে শিশু, যুবক-যুবতী ও দুর্বল প্রাপ্তবয়স্কদের অপব্যবহার, ক্ষতি বা অবহেলা থেকে রক্ষা করতে তৈরি করা হয়; এর মূল উদ্দেশ্য হলো স্বাস্থ্য, মঙ্গল এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা প্রদানের সময় অনিচ্ছাকৃত ক্ষতি প্রতিরোধ করা, যার জন্য সুস্পষ্ট নীতি, প্রক্রিয়া এবং জবাবদিহিতা অন্তর্ভুক্ত থাকে।
মূল বিষয়সমূহ: লক্ষ্য: শিশু, দুর্বল প্রাপ্তবয়স্ক এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের যেকোনো ধরনের শারীরিক, মানসিক বা যৌন শোষণ, হয়রানি এবং অবহেলা থেকে রক্ষা করা। পরিধি: এটি শুধু সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য নয়, বরং উপকারভোগী এবং সহায়তাপ্রাপ্ত ব্যক্তি সবার জন্য প্রযোজ্য।কৌশল: সচেতনতা বৃদ্ধি: অপব্যবহারের ধরন ও প্রতিরোধ বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করা। দক্ষতা উন্নয়ন: ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের আত্মরক্ষার জন্য জীবন দক্ষতা (life skills) শেখানো। নীতি ও পদ্ধতি: নৈতিক আচরণবিধি, জেন্ডার নীতিমালা এবং অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। প্রশিক্ষণ: কর্মীদের সেফগার্ডিং বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া। জবাবদিহিতা: কোনো ঘটনা ঘটলে তা রিপোর্ট করা এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।প্রাসঙ্গিকতা: এটি মানবিক সহায়তা, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল সংস্থায় প্রয়োগ করা হয়, যা দাতা ও তহবিল প্রদানকারীদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ: ইউনিসেফ: শিশু ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করে এবং জীবন দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের ক্ষমতায়ন করে। সংক্ষেপে, সেফগার্ডিং নীতিমালা হলো ক্ষতি প্রতিরোধের একটি ব্যাপক প্রক্রিয়া, যা মানুষকে সুরক্ষিত ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনে সহায়তা করে।
আর এই দায়িত্ব পালনের জন্য ইউসেপ বাংলাদেশ ঢাকা উত্তর অঞ্চল সোশ্যাল ইনক্লুশন রিজিওনাল সেইফগার্ডিং কমিটির সদস্য মনোনিত হলেন জিগীষা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর হোসাইন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত